সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানা অন্তর্গত তল্লা গ্রামে যার বসবাস, আবুল কালাম আজাদ। স্কুল জীবন থেকেই গল্প, কবিতা ও গান এবং নাটকের সাথে বসবাস।
সম্পৃক্ততা শুরু হয়। লেখা-পড়া শেষ করেই জীবন—জীবিকার তাগিদে বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি বাহিনীতে যোগদেন, প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন কে পি আই সংস্থায় বিচক্ষণতা ও সুনামের সহিত অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আনসার কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নিয়োগ প্রাপ্ত আছেন।
এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম তিনিই আমাদের নারায়ণগঞ্জ নাট্য অঙ্গন, সাহিত্য সাংস্কৃতি, কবি ও সংগঠক আবুল কালাম আজাদ। এতই অঙ্গে এত রুপ। সরকারি চাকুরির পাশাপাশি অভিনয়ের নেশা তাকে ছাড়তে পারেনি। সময় সুযোগ পেলেই মঞ্চ অথবা ইউটিউবে চ্যানেলে মাধ্যমে অভিনয় করে আসছেন।
নারায়ণগঞ্জ এর নাট্যাঙ্গনের পুরোধা জনপ্রিয় কমার্শিয়াল মঞ্চ ও চিত্রনির্মাতা ফজলুল হক পলাশ তাকে অভিনয়ে পারদর্শী করে তোলেন।
যেহেতু আনসার ভিডিপিতে চাকুরী করেন, সেই সুবাদে প্রশাসনিক ইউনিফর্মের চাহিদায় পুলিশ অফিসার চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান, পর্যায়ক্রমে চোরের মেয়ে, প্রিয়ার সমাধি, ভন্ড, চোর সোহাগি বধু, যৌতুকের বলি আরও অনেক নাটকে তিনি অনবদ্য অভিনয় করেন আসছেন। সেই থেকে পুলিশের চরিত্রের ডাক এলেই যেনো আবুল কালাম আজাদ।
কিন্তু কালাম চান গল্পের প্রয়োজনে নিজেকে নতুন সাজে নতুন ভাবে উপস্থাপন করতে। গতানুগতিক ছক থেকে বেরিয়ে এসে ভিন্ন ধর্মি চরিত্রে কাজের প্রতিই অভিনেতা কালামের ইচ্ছে ও মনোযোগ। মাষ্টার মেকার ওস্তাদ পলাশ কালামের মনের ভাব বুঝে সদ্য মুক্তি প্রাপ্ত জীবন যেখানে যেমন— নাটকে এক লম্পট চরিত্রে দর্শকের মাঝে হাজির করান, পাশাপাশি শুটিং হচ্ছে এক রোখা জেদী পুরুষ চরিত্রে, খুনের নেশায় যিনি পাগল এক ভয়ংকর চরিত্রে আসছেন এবার, বাপ বেটার যুদ্ধ— নাটকে।
এই নাটকে কালাম সম্পূর্ন নতুন রুপে মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা নিয়ে হাজির হচ্ছেন। এতদিন দর্শক যেভাবে আমায় দেখে এসেছেন, এবারের নাটকে তেমনটা পাবেন না। এটাই আমার কাছে বড় বিষয়। কারণ একজন শিল্পী হিসাবে আমি এক ধরনের অভিনয় চরিত্রে আটকে থাকতে চাই না। দর্শকের ভালোবাসায় আমি একজন বড় ও দক্ষ অভিনেতা হতে চাই।
অণুকথা : আহমেদ রউফ
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...